জুন ৪, ২০২১,১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
প্রতিনিধি :- bdnewstv24.com
চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ পাংশা উপজেলা এর বরখাস্তের আদেশ স্থগিত। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় আবারও উপজেলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন ফরিদ হাসান ওদুদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আলী।
ফরিদ হাসান ওদুদ পাংশা উপজেলা পরিষদে ধারাবাহিকভাবে দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। প্রথমবার আওয়ামীলীগ সমর্থিত ও দ্বিতীয়বার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
২৫ মে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (উপজেলা-২ শাখা) উপসচিব মোহাম্মদ সামছুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ৫ মে ফরিদ হাসান ওদুদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। উক্ত সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। সে প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ স্থানীয় সরকার বিভাগের গত ৫ মে ৪৬.০৪৫.০২৭.০৮.১৫০.২০১৮.২৭৪ নম্বর স্মারকের সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
ফরিদ হাসান ওদুদ জানান, তিনি প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছিলো। এ ঘটনায় তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দিয়েছেন। কিন্তু একটি মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। উচ্চ আদালত তার বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেছেন। তিনি আবারও জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পেরেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, তার অনুপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করেছেন। তার নামফলক ভেঙে ফেলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তার চেয়ারে বসে অফিস করেছেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন। এছাড়া তিনি এসব বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘আমি অফিসে যাওয়ার আগেই ওই কক্ষের সব ছবি অফিসের স্টাফরা নামিয়ে রেখেছে। সেগুলো সংরক্ষিত আছে। কোনো ছবি ছেঁড়া হয়নি। নামফলক ভেঙে ফেলার অভিযোগ সঠিক নয়। তিন-চার দিন আগে আমার নামের নামফলক টানানোর সময়ে সেটি খুলে রাখা হয়েছে। আমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন পাওয়ার পর দায়িত্বপালন করেছি। শিষ্টাচার বহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ড আমি করিনি।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। এসব বিষয়ে আইনে কোনো নির্দেশনা নেই। এটি একটি শিষ্টাচার।’
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain