মে ৩০, ২০২১,২:২৮ পূর্বাহ্ণ
১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউটের একজন সক্রিয় ছাত্র শিবির কর্মী ছিলেন, থাকতেন চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ এলাকায়। ১৯৯৭ সালে তারই গ্রামের এক মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে টানা ২০ দিনের মতো আটকে রেখে উপর্যুপরি ধর্ষন করার দ্বায়ে তৎ সময় পটিয়া থানায় একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের
করেন ভিকটিমের পরিবার, সেই মামলা সুরহা করেন তারই এলাকার সাবেক জাতীয় ছাত্রলীগ নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ এর বদন্যতায় তৎ সময়ের পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব শামশুদ্দিন আহমেদ। এর পরপর তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান।আলম বাহিনীর মাধ্যমে মানুষের যুগ যুগ ধরে দখলে থাকা ও
আদালতে মামলায় নিষ্পত্তি হওয়ার পূর্বে রাতারাতি জায়গা জমি পুকুর দখলে করে নিয়ে নে হাজী আলম বাহিনী। তাঁর ভয়ে এলাকার লোকজন মূখ খুলতে সাহসও করেনা তাঁর হাত থেকে মিথ্যা ধর্ষন মামলা হতে রেহায় পায়নি থানা মহিরা ওয়ার্ডের ৯৯ বছরের বৃদ্ধাও,তার বিশেষ বাহিনীর পৃষ্যপোষক হচ্ছে পটিয়ার সাংসদ হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর এ পি এস পরিচয় দানকারী দুদুকের
তালিকাবুক্ত এজাজ চৌধুরী,প্রবাসী সাহাব উদ্দিন চৌধুরী, অন্যতম সদস্য ভুমিদস্যু পেশকা নুরু, ডাকাতি কালে এক সময় কর্ণফুলীতে হাতের কব্জি হাটা বাহার,ইব্রাহিম চোরার পুত্র দিদার,মুরগী নাছির, তার বিশেষ বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা হলেন আবুল মনসুর, মাছ সেলিম, মফিজুর রহমান, আজম খাঁন,মোহাম্মদ খলিল, মোহাম্মদ জুয়েল, আবু
সালেহ, সাইফুল ইসলাম, বখতিয়ার ওরেপে বক্তা মাদক ব্যাবসায়ী সহ বিশ পচিশ জনের কিশোর গ্যাং,
হাজী আলমের দখলের হাত থেকে রক্ষা পায়নি হিন্দু যুগি সম্প্রদায়ের সুধীর রঞ্জন নাথ,জগদীশ চন্দ্র নাথ,ননী গোপাল নাথ,স্বপন নাথ,স্বাধন নাথ সহ আরও অনেকের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে নেন হাজী মোহাম্মদ আলম মেম্বারের বাহিনী।সম্প্রতি দখলে নিতে গিয়ে বিতাড়িত হয়েছেন
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সম্মন্ধি ফারুক চৌধুরীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম ও তাঁর ভাই গিয়াসউদ্দিন এর পৈতৃক দখলীয় সম্পত্তি, থানা মহিরা মৌজার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচারদীন থাকা ৬২ বছরের দখলীয় জমি ও একটু হেরফের এর কারণে হাজী আলম বাহিনীর
সাইনবোর্ড লাগিয়ে দে গত ৭ই মে,এ ব্যাপারে পটিয়া
থানায় এজার নামীয় মামলা করতে গেলে ও এজাজ ও আলমের অদৃশ্য শক্তির কারণে ফারুক চৌধুরীর স্ত্রী
মর্জিনা বেগম ও গিয়াসউদ্দিন এর মামলা করতে পারেনি। উল্লেখ্য হাজী আলম, সৌদি আরব থেকে ফেরত আসার পূর্বে কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেননা।২০১৩ সালের দিকে হাজী আলম পুনঃরায় দেশে ফিরে
এসে কুসুমপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এম আবুল কাশেম এর সহযোগীতায় যুক্ত হয় আওয়ামী রাজনীতিতে, এম আবুল কাশেম পরিচয় করিয়ে দেন পটিয়ার সাংসদ সামশুল হক চৌধুরীর কথিত এপিএস এম এজাজ চৌধুরীর সাথে,
শুরু হয় হাজী আলম এর নতুন রামরাজত্বের পথ চলা, এজাজ চৌধুরীকে টাকার বিনিময়ে একটা সময় নিজের করে নেন এই হাজী আলম পরে
এজাজ চৌধুরীর মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে নেন পটিয়ার এমপি শামশুল হক চৌধুরীর সাথে।
এর পর থেকে অধম্য হাজী আলম একে একে টাকার বিনিময়ে নিয়ে নেন কুসুমপুরা ইউনিয়ন এর ৩ নাম্বার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ, কুসুমপুরা
ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নাম্বার ওয়ার্ড়ের সদস্য পদ, দখল করেন থানামহিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির পদ।
শুরু হয় থানামহিরায় হাজী আলম এর একক সাম্রাজ্য হিন্দুদের জায়গা দখল, মুসলমানদের জায়গা দখল, সরকারী রোডস ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাস জায়গা দখল করে ভাড়া ঘর নির্মান যার থেকে প্রতি মাসে পঞ্চাশ হাজার টাকার বেশি ভাড়া আদায় হয়,তাঁর ভাড়া ঘরে চলে মাদকের ব্যাবসা,বিউটি পার্লারের মেয়ে রেখে চলে
পতিতাবৃতি,হাত খুললে পাওয়া যায় ইয়াবা,আলম বেশ কয়েকটি পুকুর দখল, নারী ব্যবসা, মদের ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা,কথায় কথায় নিরিহ জনগনকে মামলা হামলা দিয়ে হয়রানি, বিচার শালিশের নামে জামানত নিয়ে ফেরত না দেওয়া, থানামহিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শতবৎসরের প্রাচীন লক্ষাধিক টাকার গাঁছ বিক্রি করে পকেট পুরেন, এক সময়ে শুন্য হাতে সৌদি আরব ফেরত হাজী
মোহাম্মদ আলম বনে যায় কয়েক কোটি টাকার মালিক, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে নিয়ে নেন বিশাল এক আরদ, এই আরদ থেকে গত দুই বৎসর পূর্বে পুলিশ দেহ ব্যবসায় যুক্ত থাকা দুজন নারীকে উদ্ভার করেন।
নামে বেনামে গড়েন সম্পদের পাহাড়।বলা বাহুল্য এখানে হাজী আলম এর অবৈধ আয়ের কিছু কমিশন এমপি সাহেব এর কথিত পিএস এম
এজাজ চৌধুরীর পকেটেও যায় সেই জন্য আলম আইন কে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে এইসব অপকর্ম বীর দর্পে চালিয়ে যাচ্ছে। এজাজ এর শক্তিতে বলিয়ান।স্হানীয় লোকজন কয়েক বার পটিয়ার সাংসদ কে আলমের বিরুদ্ধে নালিশ দিলেও এমপি সাহেবের সোজা জবাব তোমরা এজাজ এর সাথে যোগাযোগ করো। এরপর নিরিহ লোকজন কে আবারও
নির্যানত শুরু করে দ্বিগুণ এমপির কাছে বিচার দেয়ার কারণে, আলম বাহিনীর প্রধান আলম মেম্বার এর বিরুদ্ধে গত কয়েকদিনের মধ্যে দূর্নীতি দমন কমিশন সহ বিভিন্ন সংস্থায় আবেদন করেছেন এলাকা বাসীর পক্ষ হতে, কুসুমপুরা থানা মহিরার জনগণ তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্হা গ্রহণ না করলে রাজপথে আন্দোলনে নামার হুমকি দেন।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain