জুন ৮, ২০১৬,১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বিডি নিউজ টিভি ২৪ ডট কম: চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত সাহসি পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার তিন দিন অতিবাহিত হলেও এখনো খুনীদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। খুনের ঘটনা তদন্তে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করলেও এখনো এর কোন রহস্য উম্মোচন করতে পারেনি কেউ। এনিয়ে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
প্রকাশ্য দিবালোকে এমন একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য তিন দিনেও উদঘাটন না হওয়ায় জনমনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে সিটিইউ’র তিন কর্মকর্তা মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম আসলেও এখনো কেউ সুখবর দিতে পারেনি তারা। হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত এখনো সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করতে পারেনি কেউ। হত্যাকাণ্ডের মোটিভ উদঘাটনে সম্ভাব্য সব বিষয়কে গুরুত্ব নিচ্ছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি উদ্ধার হলেও সেটি কিভাবে খুনীদের কাছে গেলো তাও জানাতে পারছেনা পুলিশ।
চট্টগ্রামের সাহসি পুলিশ অফিসার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যার জট খুলতে পুলিশ এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে হত্যাকাণ্ডের পর মিতুর লাশের পাশ্ব দিয়ে যাওয়া কালো রঙ্গের মাইক্রোবাস ও মিতুর মোবাইলে আসা একটি ভুয়া এসএমএস। যে এসএমএসের মাধ্যমে খুনীরা মিতুকে ঘর থেকে বের করে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করে নির্ভিঘ্নে পালিয়ে যায়।
তদন্তে নিয়োজিত একটি গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, মিতুর মোবাইলে আসা ভুয়া এসএমএসটি রহস্য উদঘাটন করতে পারলেই এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ উদঘাটন করা যাবে। গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন এখন সেই এসএমএসের রহস্য উদঘাটনে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। মিতুর মোবাইল নাম্বার খুনীরা কিভাবে পেল এতথ্য জানতে স্কুলের কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয়টিও গুরুত্ব দিচ্ছে তদন্ত সংস্থাগুলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে ও খুনীদেও ধরতে সম্ভাব্য সব ধরণের বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে এখনো কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। তবে আশা করছি খুব দ্রুত আমরা এর রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain