ডিসেম্বর ২০, ২০১৯,১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা:
দেশের বেশ কিছু অঞ্চলের ওপর শৈতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ফলে সারাদেশেই তাপমাত্রা কমেছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলেও সবচেয়ে বেশি ‘ঠাণ্ডা’ হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। টানা তিনদিন ধরে দেশের বিভিন্নস্থানে এ অবস্থা বিরাজমান।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাত ও দিনের পার্থক্য কম হলে শীত বেশি অনুভূত হয়। আর কয়েকদিন ধরে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য সবচেয়ে কম ঢাকাতেই।
আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও হাড় কাঁপুনি ঠাণ্ডা পড়ে। আবার ৯-১০ ডিগ্রিতেও তেমন ঠাণ্ডা অনুভূত হয় না। তাপমাত্রা কমা বা বাড়ার সঙ্গে ঠাণ্ডা বা গরম অনভূতি কমা বা বাড়ার সম্পর্ক নেই। রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য তথা সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য যত কমে ঠাণ্ডা অনুভূতি তত বাড়বে।
দু’দিন ধরে ঢাকায় রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য সবচেয়ে কম। আরও কয়েকটি স্থানে ঢাকার কাছাকাছি অবস্থা বিরাজ করছে।
আবহাওয়া অধিদফতর এক পূর্বাভাসে বলছে, বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়- ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ মাঝারি ধরনের শৈত প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অর্থাৎ দিনের তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য এখানে ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরও পড়ুন: বেড়েছে শীতের প্রকোপ, ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ
ঢাকায় রাতে ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও দিনে ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ রাজধানীতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য নেমে এসেছে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকায় এটা ৫ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসেছিল। তার আগে মঙ্গলবারও দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য সবচেয়ে কম ছিল ঢাকাতেই। ফলে টানা তিনদিন ধরে ব্যাপক কষ্টের মধ্যে পড়তে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে।
আরও পড়ুন: বইছে শৈত্যপ্রবাহ, কাঁপছে ছিন্নমূল মানুষ
ঢাকার পরের অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা। ময়মনসিংহে রাত ও দিনের তাপামাত্রার পার্থক্য কমে নেমে এসেছে ৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর নেত্রকোনায় নেমে এসেছে ৪ ডিগ্রিতে।
উত্তরবঙ্গে ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে শৈত প্রবাহ বয়ে গেলেও ঢাকার চেয়ে ঠাণ্ডা পড়ছে কম। এসব অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পড়ছে বা শীত অনুভূত হচ্ছে রংপুরে। সেখানে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain