আজ বুধবার,১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরী
>> ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে খেলাফত আন্দোলন নেতাদের সাক্ষাৎ। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নেন ৯৮ ( আঠানব্বই) হাজার, আরও টাকা নিতে এসে ধরা। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >>   >> স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এভাবে ভাঙচুর হলো,তখন পুলিশ কী দায়িত্ব পালন করেছে: তাসনিম জারার প্রশ্ন। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> কক্সবাজার যেতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> ফেনীতে বাস উল্টে কাস্টমস কর্মকর্তার মৃত্যু, আহত ১০ জন।  Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> ০৭ মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার ১৩ হাজার ৬৭৯. পুলিশ সদরদপ্তর । Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক। bdnewstv24.com and Daily alor jagat.  >> গুলশান থেকে বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার। bdnewstv24.com  >> নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।  bdnewstv24.com and Daily alorjagat.     

আনসার আল ইসলামের ৪ ‘জঙ্গি’ গ্রেফতার রাজধানীতে

অক্টোবর ১২, ২০১৯,১:২৯ অপরাহ্ণ

 
Spread the love
 রিয়াদুল ইসলাম (আফজাল), বিডিনিউজটিভি২৪ডটকম :  রাজধানীতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। গত বৃহস্পতিবার রাতে যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে কাউন্টারে টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান। গ্রেফতাররা হলেন, শাহীন আলম ওমর (২১), সাইফুল ইসলাম (১৮), হামিদুজ্জামান বিপ্লব (১৮) ও আল মামুন (২০)। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি উদ্ধার করেছে পুলিশ। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার ঢাকার মিন্টো রোডে পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গ্রেফতার চারজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আনসার আল ইসলামে সক্রিয় থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা কথিত জিহাদি প্রশিক্ষণের জন্য দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে সুন্দরবনের করমজলে গিয়েছিল। সেখানে এক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করে তারা। পরে বান্দরবান জেলার আলীকদমে গিয়ে প্রায় এক মাস তারা চাপাতি চালানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেয়। পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ শেষ করে ‘নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই’ তারা ঢাকায় এসে যাত্রাবাড়ীতে মিলিত হয়েছিল বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্রেফতার জঙ্গিরা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করত। নাশকতা চালিয়ে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করার’ পরিকল্পনা ছিল তাদের। গ্রেফতারদের মধ্যে শাহীন ও মামুনের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়। সাইফুল ইসলামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের নিকলী এবং হানিফুজ্জামানের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। মনিরুল ইসলাম বলেন, সিটিটিসির একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আনসার আল ইসলামের চারজন সক্রিয় সদস্যকে আটক করে। তারা সংগঠনের আদর্শ অনুসারে কথিত হিজরত করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সদস্য সংগ্রহ করে। পরে সদস্যদের নিয়ে সুন্দরবন করমজল এলাকায় একটি প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে এক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেয়। পরে বান্দরবানের আলীকদম এলাকায় প্রায় একমাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে তারা সংগঠনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসে। মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, নিরাপদে জঙ্গি কার্যক্রম চালানোর জন্য সংগঠনের সদস্যরা পাহাড়ি এলাকায় একটি কফিশপ চালু করেছিল। এছাড়া তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জারে চ্যাট গ্রুপের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। সেখানেই তাদের বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা দেওয়া হতো। আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসি প্রধান আরও জানান, আটকরা জননিরাপত্তা বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি ক্ষতির লক্ষ্যে নাশকতামূলক কর্মকা-ের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যায়। সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কার হওয়া মেজর জিয়ার সবশেষ অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেজর জিয়া বর্তমানে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছেন। এ সংগঠনের সঙ্গে তার কতটুকু যোগাযোগ রয়েছে বা তিনি কী অবস্থায় আছেন সেটা জানার চেষ্টা চলছে। এটা জানার জন্য এই গ্রুপের শায়েখকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে আমাদের ধারণা তিনি এখন কিছুটা নিষ্ক্রিয়। কারণ তিনি যদি সক্রিয় থাকতেন তাহলে আমাদের ইন্টেলিজেন্সিতে তার বিষয়ে তথ্য উঠে আসতো। এদিকে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকা-ের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা থাকলেই গ্রেফতার করা হবে। এ ক্ষেত্রে এজাহারে নাম আছে কিনা তা দেখা হবে না বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। মনিরুল ইসলাম বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকা-ের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা থাকলেই গ্রেফতার করা হবে। এ ক্ষেত্রে এজাহারে নাম আছে কিনা তা আমরা দেখা হবে না। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্ত করে মামলার কাজ শেষ করে আমরা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেবো। তিনি বলেন, আজও এজাহারভুক্ত এক আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেই তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত এক আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কপি এখনো আমরা পাইনি। কপি পেলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো যে কতটুকু শেয়ার করতে পারবো। শুধুমাত্র একজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি পেলে আর বাকিদের না পাওয়া গেলে তারমধ্যে কতটুকু প্রকাশ করা যাবে তা নিয়ে আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

ফেইসবুক লাইকবক্স

 
 
 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain