ডিসেম্বর ২০, ২০১৮,১০:৫৮ অপরাহ্ণ
বিডি নিউজ টিভি ২৪ ডট কমঃ সিনিয়র রিপোটার মোঃ তপছিল হাছানঃকুমিল্লা, দাউদকান্দি : কুমিল্লা দাউদকান্দী থানা দৌলতপুর ইউনিয়নে মৃত জোহর আলি বেপারী বড় ছেলে মোঃ শফিউল্লাহ, সাং-সাদারদিয়, ঘটনার তারিখ ও ১২/১২/১৮ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় দাউদকান্দি থানাধীন নৈয়াইর বাজার হইতে অনুমান ৩০০ গজ পশ্চিম দিকে ব্রীজ সংলগ্ন চায়ের দোকানের মধ্যে বøাক স্ট্যাম্পে সাইন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।১। আবুল কালাম (৪০) ২। হুমায়ুন কবির (৩৭), পিতাঃ অহিদ উল্লাহ এর বিরূদ্ধে দুইজন আসামি করে থানায় এসআই রাকিব ডিউটি অফিসারে কাছে অভিযোগটি দায় করেন,
কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা দৌলতপুর ইউনিয়ন বøাক স্ট্যাম্পে অভিযোগটি উঠে। উপরোক্ত বিবাদীদ্বয় আমাদের প্রতিবেশী এবং পার্শ্ববর্তী বাড়ীর বাসিন্দা। প্রায় ১০বছর পূর্বে উপরোক্ত বিবাদীদ্বয়েল নিকট আমি জমি বিক্রি করি। বর্তমানে বিবাদীদ্বয় আমার বিক্রিকৃত জমিটি অন্যত্র বিক্রি করার চেষ্টা করে। ব্যাংকে লোন থাকার কারণে বিবাদীদ্বয় আমার বিক্রি করা জমি অন্যত্র বিক্রি কতে পারতেছে না বলিয়া আমাকে ঢাকা হইতে বাড়ীতে আসতে বলিলে ইং ১২/১২/১৮ তারিখ দুপুর অনুমান ১২.০০ ঘটিকায় সময় আমি ও আমার স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৫০) দাউদকান্দি থানাধীন নৈয়াইর বাজার হইতে অনুমান ৩০০ গজ পশ্চি দিকে ব্রীজ সংলগ্ন চায়ের দোকানে ঢাকা হইতে আসিয়া অবস্থান করি। তখন উপরোক্ত বিবাদীদ্বয় ব্যাংকের লোন পরিশোধ করিয়াছে মর্মে আমাকে ০৩টি ১০০/- টাকার খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিতে বলে। আমি রাজি না হওয়ায় বিবাদীদ্বয় আমার নিকট হইতে জোর পূর্বক ০৩টি ১০০/- টাকা খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এই বিষয়ে বাদি শফিউল্লাহ বলে আমাকে ও আমার স্ত্রী ফিরোজা বেগমকে মোবাইল মোটোফোনে কয়েক বছর আগে ব্যাংক থেকে আনুমানিক ২০০০ সালে লোন ১৫,০০০/- (পনেরো) হাজার টাকা উত্তলন করে। এর সুদ আসে আঠারো বছরে ১৮,০০০/- (আঠারো) টাকা। ঐ সুদের টাকা পরিশোধ করার জন্য বলা হয়। তখন আমার স্ত্রী সাথে হুমায়েন বলে যে আমরা পরিশোধ করিয়া দিয়ে দিবে এই বলে আমার স্ত্রী ঐ ব্যাংক এর টাকা হাতে দিয়ে দিলে ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করে ৬ (ছয়) মাসের জন্য ৪৪,০০০/- (চুয়াল্লিশ হাজার) টাকা ঐ সময়ের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। এই কথা বলিয়া বøাক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। বিবাদীগণ; আবুল কালামের সাথে মোবাইল মোটোফোনে জিজ্ঞাসা বাদ করিলে দৌলতপুর ইউনিয়নের চেযারম্যান উপস্থিতে আমি স্বাক্ষার নিয়েছি তিনি আরো বলেন শফিউল্লাহ কাছে ১০,৪৪,০০০/-( দশ লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার) টাকা আমি পাওনা এ কারনে সকল জনগণের উপস্থিতে স্বাক্ষর নেই তিনি আরো বলেন শফিউল্লাহর বড় ছেলে শরিফ হোসেন এবং তাহার শালা মেহেদি হাসান কাছে বিদেশী টাকা লেনদেন করি এ কারণে ১০,৪৪,০০০/- (দশ লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার) টাকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেই। তাহাকে আরো জিজ্ঞাসা করিলে স্ট্যাম্পে কে লিখিছে সে একথাকে এরিয়ে চলে যায়। এই বলে তাহার মোবাইল মোটোফোনটি বন্ধ করে দেয়। বিবাদির ছোট ভাই হুমায়েন সাথে এ বিষয় জানতে চাইলে বলে আমি আমার নানা-নানিকে মোবাইল মোটোফোনে ফোন করে এনে খুবিই খারাপ কাজ করেছি। কারণ আমি জানতামনা আবু কালাম ভাই এই দরনের বøাক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আমি আমার ভাইয়ের সাথে অনেকটা রাখ ও খারাপ আচরণ করি। কিন্তু আমার ভাই আমাকে বলে যে আমার কাছে শরিফ ও মেহেদীর কাছে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা। পাওয় না কতুটুকু সত্যতা তা আমার জানানাই আমার ভাইয়ের কার্যকলাবে আমি খুবই লজ্জিত এবং আমার ভাই বøাক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষার নিয়েছে তাহা সত্য এ বিষয় দাউদকান্দি থানায় দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিন চৌধুরী বলে যে এ বিষয়ে আমার অনুপস্থিতে বøাক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। কিন্তু এ বিষয় গুলো আমাকে যানানো হয়েছে বলে যানান।
২য় ফলাফ এর জন্য চোখ রাখুন
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain