আজ শনিবার,২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরী
>> যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক। bdnewstv24.com and Daily alor jagat. >> গুলশান থেকে বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার। bdnewstv24.com >> নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।  bdnewstv24.com and Daily alorjagat. >> লোডশেডিং এবং মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল, বৈষম্যবিরোধী ৩ (তিন) ছাত্রনেতা আটক। bdnewstv24.com >> আমির হামজার গাড়িবহরে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের bdnewstv24.com >> প্রতিবন্ধী কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক, দল থেকে বহিষ্কার জামায়াত নেতা । bdnewstv24.com >> মাদক নয়, ভবিষ্যৎ চাই কুমিল্লার কোটবাড়ী বিশ্বরোডে জোরালো মাদকবিরোধী মতবিনিময়। bdnewstv24.com >> নেশাগ্রস্ত পিতার হাতে খুন স্কুলছাত্রী নিরজানা, আদালতে মায়ের জবানবন্দি।  bdnewstv24.com >> খেলাধুলা তরুণদের শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্ববান এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে : মোঃ উজ্জ্বল ফরাজী। bdnewstv24.com >> ছুটি না মেলায় ক্ষোভ, প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে সহকারী শিক্ষক, তদন্তে প্রশাসন। bdnewstv24.com     

বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে জমি সংকট

মে ৪, ২০১৭,৮:১৬ অপরাহ্ণ

 
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার : বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জমির অভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে বাধার মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, জমি কিনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গেলে অনেক খরচ হয়। তাদেরকে জমি দেয়া গেলে এই টাকা তারা অন্য কাজে লাগাতে পারেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় জানানো হয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন তহবিলে পাঁচ হাজার ছয়শ কোটি টাকা জমা হয়েছে। আর চলতি বছর এই তহবিল থেকে পাঁচ হাজার ৪০০ কোটি টাকায় বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

নতুন এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৪০০ মেগাওয়াটের দক্ষিণ বিবিয়ানা কেন্দ্র নির্মাণে দুই হাজার পাঁচশত কোটি টাকা, ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচ মেগাওয়াট সোলান বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৭১ কোটি টাকা, সিলেটে ১৫০ মেগাওয়াট সম্প্রসারিত প্রকল্প নির্মাণে ৭৬০ কোটি টাকা, পায়রায় এক হাজার তিনশ মেগাওয়াটের জন্য ১১৮৪ কোটি টাকা এবং সিরাজগঞ্জ ১০০ মেগাওয়াট প্রকল্পের জন্য ৮৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।।

এর আগে বিবিয়ানা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটিতে ২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যবহার করা হয়।

বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল সম্পর্কিত ‘রেগুলেটরি গাইডলাইন্স ২০১৭’ খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য কর্মশালা আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনে বিয়াম মাল্টি পারপাস হলে এ কর্মশালা অনুষ্টিত হয়।‘বিদ্যুৎখাত উন্নয়ন তহবিল সম্পর্কিত ‘রেগুলেটরি গাইডলাইন্স ২০১৭’  অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানান বাংলাদেশ এনার্জি  রেগুলেটরি কমিশন।

কর্মশালায় জানানো হয়, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসির নির্দেশে বিদ্যুতের মূল্যহার ভোক্তা পর্যায়ে সহনীয় রাখার উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন তহবিল’ নামে একটি তহবিল গঠন করা হয়। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে এই তহবিল ব্যবহারের নীতিমালা প্রস্তুতের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এই নীতিমালাও পরে বিইআরসি অনুমোদন করে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভূমি পায় না বিধায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে পারে না। কারণ এত বেশি জমি কিনে সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ খুবই ব্যয়বহুল। এ সময় তিনি অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য কমিটি করার তাগিদ দেন।

বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যুৎখাতে কিছু কাজ করতে তহবিল পাওয়া সহজ। বিদ্যুৎ উন্নয়ন খাত উন্নয়ন তহবিলের টাকা এসব খাতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারে  ‘রেগুলেটরি গাইডলাইন্স ২০১৭’  যা আছে

এখানে বলা আছে, বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেতে বিনিয়োগের সব অর্থ প্রকল্পের নির্মাণ সময় ভেদে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডে পাওয়া যাবে। প্রকল্পের কাজ শুরুর পর ১৫ বছরের মধ্যে বার্ষিক এক শতাংশ সার্ভিস চার্জসহ ফেরত দিতে হবে।

তবে এই গাইডলাইনের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম। তিনি বলেন, বিদ্যমান গাইডলাইন ২০১২ এর কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন নেই।

বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘এ গাইডলাইন কোন চূড়ান্ত কিছু নয়। সবার সঙ্গে আলোচনা করে তা চূড়ান্ত করা হবে। জনগণের যেভাবে ভালো হয়, সেটাই বিবেচনা করা হবে গাইডলাইনে।’

 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

ফেইসবুক লাইকবক্স

 
 
 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain