আজ শনিবার,২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরী
>> যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক। bdnewstv24.com and Daily alor jagat. >> গুলশান থেকে বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার। bdnewstv24.com >> নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।  bdnewstv24.com and Daily alorjagat. >> লোডশেডিং এবং মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল, বৈষম্যবিরোধী ৩ (তিন) ছাত্রনেতা আটক। bdnewstv24.com >> আমির হামজার গাড়িবহরে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের bdnewstv24.com >> প্রতিবন্ধী কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক, দল থেকে বহিষ্কার জামায়াত নেতা । bdnewstv24.com >> মাদক নয়, ভবিষ্যৎ চাই কুমিল্লার কোটবাড়ী বিশ্বরোডে জোরালো মাদকবিরোধী মতবিনিময়। bdnewstv24.com >> নেশাগ্রস্ত পিতার হাতে খুন স্কুলছাত্রী নিরজানা, আদালতে মায়ের জবানবন্দি।  bdnewstv24.com >> খেলাধুলা তরুণদের শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্ববান এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে : মোঃ উজ্জ্বল ফরাজী। bdnewstv24.com >> ছুটি না মেলায় ক্ষোভ, প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে সহকারী শিক্ষক, তদন্তে প্রশাসন। bdnewstv24.com     

এবার ডুবল শনির হাওর, বাড়ল কৃষকের কান্না

এপ্রিল ২৩, ২০১৭,১০:৫৬ অপরাহ্ণ

 
Spread the love

সুনামগঞ্জের শনির হাওর ডুবে গেছে। রবিবার ভোরে হাওরপাড়ের সাহেবনগরের পূর্বপাশের বাঁধ ও জালখালি বাঁধ ভেঙে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে চারটি উপজেলায় ৫০টিরও বেশি গ্রামের মানুষের মধ্যে চলছে হাহাকার। এই বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ২০০ কেটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গত দুই সপ্তাহে সুনামগঞ্জের সবকটি হাওর তলিয়ে যাওয়ার পর একমাত্র ভরসা ছিল শনির হাওর। এই হাওরটিকেও রক্ষা করা গেল না। এ হাওরটি তলিয়ে যাওয়ায় কার্যত সুনামগঞ্জ জেলায় শতভাগ ফসলহানি হয়েছে।

জেলার তাহিরপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন, জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে শনির হাওরের অবস্থান। এ হাওরের তাহিরপুর অংশে আট হাজার হেক্টও জমি রয়েছে। অন্য দুই উপজেলায় পড়েছে বাকি জমি। ২৫ দিন ধরে তিন উপজেলারই হাজার হাজার কৃষক স্বেচ্ছাশ্রমে শনির হাওরের তিন কিলোমিটার বাঁধ রক্ষায় প্রাণপণ লড়াই করছিলেন। তারা বস্তা দিয়ে বাঁধ উঁচু করা, ক্লোজার বাঁধ রক্ষার জন্য পালাক্রমে ২৪ ঘন্টাই বাঁধে ছিলেন।

 

পাঁচ দিন ধরে কৃষকরা পালাক্রমে কেউ বাঁধে কাজ করছিলেন, কেউ জমির কাঁচাপাকা ধান কাটার চেষ্টা করছিলেন, কৃষদদের কাটা ধানও ছিল হাওরের পতিত জমিতে তৈরি খলায় (মাড়াই দেয়ার জন্য শুকনো জায়গা)।

শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই সাহেবনগরের পূর্বপাশের বাঁধ ও জালখালি বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ শুরু হলে হাওর পাড়ের গ্রামগুলোয় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হাওর পাড়ের নোয়ানগর গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদির রবিবার কাঁদতে কাঁদতে ডুবে যাওয়া জমির কাঁচা ধান মুখে দিয়ে চিবুনি দিচ্ছিলেন। বিলাপ করে এ সময় তিসি বলছিলেন, ‘আল্লায় আমারে কেনে পাইন্নে ভাসাইয়া নেয় না, বাড়িত গিয়া বচ্ছা কাচ্ছারে  (ছেলে মেয়েদের) কিতা খানি দিতাম।’

কান্না শুধু আব্দুল কাদিরেরই নয়, শনির হাওরপাড়ের বারুঙ্কা, লোহাচুরা, আনোয়ারপুর, চিকসা, বীরনগর, জয়নগর, ধুতমা, উজান তাহিরপুর, মধ্যতাহিরপুর, ভাটি তাহিরপুর, ঠাকুর হাটি, গোবিন্দশ্রী, শাহগঞ্জ, শ্রীপুর, নিশ্চিন্তপুর, ইকরামপুর, নোয়ানগর, মারালা, সাহেবনগর, গোপালপুর, রামজীবনপুর, পৈ-ুপ, জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী, রাধানগর, ইসলামপুর, মসলঘাট, বিশ্বম্বরপুর উপজেলার শাহপুর, বসন্তপুর, ধাওয়া, পাঁচগাওসহ ৫০টির বেশি গ্রামের মানুষের।

এ ছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়িও গুজাদিয়া গ্রামের অনেক কৃষক বহুকাল ধরেই জিরাতি হয়ে এ হাওরে বোর ধান চাষ করে।

গতকাল রবিবার কৃষক পরিবারের আহাজারিতে শনির হাওরপাড়ের গ্রামগুলোর পরিবেশ ছিল বিষাদময়। অনেক কৃষককেই কিছু জিজ্ঞেস করলে কেবল কেঁদেছেন।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান, সাহেবনগরের পূর্বপাশের বাঁধ ও জালখালি বাঁধটি পাউবো সময়মত মূল বাঁধ হতে তিন ফুট উঁচু করে দিলে এই সমস্যা হতো না। তিনি বলেন, ‘হাওরপাড়ের কৃষকদের নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে আমি ২৫দিন ধরে কাজ করেছি।এ হাওরটি তলিয়ে যাওয়ার দায়ও পাউবো এড়াতে পারবে না।’

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বললেন, বাঁধ ভেঙে শনির হাওর তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগই গ্রহণ করবে উপজেলা প্রশাসন।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব। কৃষকদের সকল দুর্যোগ ও সমস্যা সমাধানে সকল কৃষকদের কৃষি ঋণ মওকুফসহ নানান উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

ফেইসবুক লাইকবক্স

 
 
 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain