আজ বুধবার,১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরী
>> ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে খেলাফত আন্দোলন নেতাদের সাক্ষাৎ। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নেন ৯৮ ( আঠানব্বই) হাজার, আরও টাকা নিতে এসে ধরা। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >>   >> স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এভাবে ভাঙচুর হলো,তখন পুলিশ কী দায়িত্ব পালন করেছে: তাসনিম জারার প্রশ্ন। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> কক্সবাজার যেতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী। Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> ফেনীতে বাস উল্টে কাস্টমস কর্মকর্তার মৃত্যু, আহত ১০ জন।  Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> ০৭ মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার ১৩ হাজার ৬৭৯. পুলিশ সদরদপ্তর । Daily alor jagat and bdnewstv24.com  >> যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক। bdnewstv24.com and Daily alor jagat.  >> গুলশান থেকে বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার। bdnewstv24.com  >> নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।  bdnewstv24.com and Daily alorjagat.     

পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জানুয়ারি ২৩, ২০১৭,৯:৪৫ অপরাহ্ণ

 
Spread the love

বিশেষ প্রতিনিধি : ‘জঙ্গি মাদকের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’- স্লোগানকে সামনে রেখে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০১৭ শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে উদ্বোধন করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পুলিশ সপ্তাহ-২০১৭। এবারও পুলিশ সপ্তাহের প্যারেডের নেতৃত্ব দিয়েছেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শামসুন্নাহার। তার নেতৃত্বে সারাদেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত ১০টি কন্টিনজেন্টের সহ¯্রাধিক সদস্য প্যারেডে অংশ নেন। পুলিশ সপ্তাহে সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০৬ জনকে বিভিন্ন পদক দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে পুলিশের এসব কর্মকর্তাকে পদক পরিয়ে দেন। পুলিশ সদর দফতর থেকে জানা যায়, এ বছর পুলিশ সপ্তাহে সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৬ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ৪১ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম), গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের জন্য ২৪ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) এবং ৪১ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে এ বছর বেশ কিছু দাবি-দাওয়া তুলে ধরা হবে। তার মধ্যে রয়েছে- অ্যাডিশনাল আইজিপির পদ বাড়ানো, সচিব পদমর্যাদার পদ বৃদ্ধি, কাউন্টার টেরোরিজম ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সক্ষমতা আরও বাড়ানোসহ স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগ গঠন, নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের র্যাংক-ব্যাজ পরিবর্তন, আবাসিক সংকটের সমাধান, প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের ঝুঁকিভাতা চালু ও রেশনে ওয়ারেন্টি প্রথা বাতিল। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানেশেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক সমস্যা, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন দেশি-বিদেশি একটি চক্র গণতান্ত্রিক পথে ব্যর্থ হয়ে দেশের অগ্রযাত্রাকে বানচালের জন্য সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। আর দেশের পুলিশ বাহিনী তা প্রতিরোধ ও নির্মূলে বীরত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ভাষণে সরকারপ্রধান বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক পরিম-লে আমাদের পুলিশ সদস্যদের অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশের আইনশৃঙ্খলাসহ গণতন্ত্রের সার্বিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। মানুষের সমস্যার সমাধান করতে চাই। ভাষণের আগে ‘জঙ্গি-মাদকের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’Ñএই প্রতিপাদ্যে পাঁচ দিনের পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সকালে তিনি পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। ঔপনিবেশিক আমলের ধ্যান-ধারণার পরিবর্তে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে একাত্ম হয়ে পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শান্তিময় ও নিরাপদ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে হবে। প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে অসহায় ও বিপন্ন মানুষের প্রতি অকুণ্ঠ চিত্তে সেবার হাত প্রসারিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বায়নের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের কর্মক্ষেত্র ও কর্মব্যাপ্তি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেবল চুরি-ডাকাতি, হত্যা-রাহাজানি বন্ধ নয়, পুলিশের কাজের ক্ষেত্র আজ বিস্তৃত হয়েছে-সাইবার ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, মাদক পাচার এবং পণ্য চোরাচালান ও নারী-শিশু পাচার প্রতিরোধে, এমনকি জলজ ও বনজ সম্পদ এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও। পুলিশের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ও অপরাধের নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশের আধুনিকায়নের বিকল্প নেই। পুলিশের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কৌশলগত পরিকল্পনা, অবকাঠামো এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করে কর্মক্ষেত্রে পুলিশের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত। আইন-শৃঙ্খলা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থকে ব্যয় হিসেবে ধরি না। এটিকে জাতির কল্যাণে বিনিয়োগ মনে করি। সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রমের বিস্তৃতি দেশের প্রধান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাংলাদেশ পুলিশেও সমভাবে বিস্তৃত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালের কালরাতে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এর নির্ভীক, দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যরা। পুলিশ বাহিনীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার প্রতীক বাংলাদেশ পুলিশ। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রদান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্বে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদাশীল এবং আত্মনির্ভরশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু দেশি-বিদেশি একটি চক্র বাংলাদেশের এ অগ্রযাত্রাকে বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। গণতান্ত্রিক পথে মানুষের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়ে এরা সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৭৩৯টি ক্যাডার পদসহ ৩২ হাজার ৩১টি পদ সৃষ্টি, পুলিশে আরও ৫০ হাজার জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট গঠন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ গঠন, বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট যেমন-পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ এবং ২টি স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন গঠন, এসআই/সার্জেন্ট পদকে ৩য় শ্রেণী থেকে ২য় শ্রেণীতে এবং ইন্সপেক্টর পদকে ২য় শ্রেণী থেকে ১ম শ্রেণী (নন-ক্যাডার) পদে উন্নীত করা, আইজিপি’র পদকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় উন্নীত করা এবং পুলিশ বিভাগের ২টি গ্রেড-২ পদকে গ্রেড-১ পদে উন্নীত করা, এপিবিএন বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারসহ সারাদেশে ৩০টি ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন, ঝুঁকি ভাতা প্রবর্তন, আবাসন, চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ, পুলিশ হেল্প লাইন নামক অ্যাপ চালু, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেন্টার এবং সাইবার ক্রাইম ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন, পুলিশে নারীদের নিয়োগ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

ফেইসবুক লাইকবক্স

 
 
 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain