জানুয়ারি ৮, ২০১৭,৯:৫৩ অপরাহ্ণ
মোঃ বিপ্লব সরকার : গতকাল(৮ জানুয়ারী) রবিবার চাঁদপুর জেলার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল -২এর বিচারক ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ, চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা খাদ্য গুদামের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুন্সি আঃ ছালাম এর দন্ডবিধি ৪০৯ ধারা অনুযায়ী ১০ বছর কারাদন্ড ও ১,০০,০০০/- জরিমানা ও ১৯৪৭ সনের দুদক আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী ৫০,০০০/- টাকা জরিমানা এবং ব্যবসায়ি সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল মেম্বারের দন্ডবিধি ৪০৯ ধারা অনুযায়ী ১০ বছর জেল ও ১,০০,০০০/- টাকা জরিমানা এবং ১৯৪৭ সনের দুদক আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী ৫ বছর জেল ও ৫০,০০০/- টাকা জরিমানা প্রদান করেন এবং এজাহার ভুক্ত আসামী সাইফুল ইসলাম (ড্রাইভার) ও মেহেদী হাছান (হেলপার) কে বেকসুর খালাস প্রদান করেন । এ সময় রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন দুদকের চাঁদপুর জেলার আইনজীবি এডঃ মুরাদ হোসেন চৌধুরী, আসামী পক্ষে এডঃ সেলিম আকবর। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বিগত ৮/৪/২০১০ইং তারিখে কচুয়া সরকারী খাদ্য গুদাম হইতে ২০০ বস্তা সরকারী চাউল (প্রতি বস্তা ৮০ কেজি করে) ট্রাক যোগে অবৈধ ভাবে পাচারের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় কচুয়া সাচার রোডের বাতাপুকুরিয়া নামক স্থানে চাউল বোঝাই ট্রাক সহ ট্রাকের ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করা হয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশে কচুয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার নুরে আলম ছিদ্দিকি, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আঃ মান্নান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলী আহম্মদ মিয়া ঘটনাস্থলে যায়। তাহাদের উপস্থিতিতে এবং জিজ্ঞাসাবাদে ড্রাইভার ও হেলপার জানায় যে, উক্ত চাউল গুলো মুন্সি আঃ ছালাম ও সাইফুল ইসলাম মেম্বার এর উপস্থিতিতে ট্রাকে চাউল বোঝাই করা হয়। চাউল সাইফুল মেম্বার নিকট বিক্রয় করা হয় এবং তারা গৌরিপুর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। উক্ত বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এস,আই মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করে। তারপর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরির্দশক জাকির হোসেন প্রাথমিক তদন্তভার গ্রহন করে, ড্রাইভার ও হেলপারের ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দির ব্যবস্থা করেন। মোকাদ্দমাটি দুদকের তপছিল ভূক্ত হওয়ায় দুদকের উপ-পরিচালক জনাব মোঃ মোরশেদ আলম মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে দ্বায়িত্ব গ্রহন করেন। দীর্ঘ তদন্তের পর তিনি ২৪/০৫/২০১১ ইং তারিখে উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৪০৯/১০৯ ও ১৯৪৭ সনের দুদক আইনের ৫(২) ধারায় আদালতে অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানীর পর আসামীদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষনা করা হয়।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain