ভুক্তভোগীদের দাবি, শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে হলে আরিফের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। তিনি পৌরসভার অনুমতির কথা বলে দোকান বসানোর সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং এর বিনিময়ে প্রতিদিন বা নির্দিষ্ট সময় পরপর টাকা আদায় করেন। এতে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে তার কাছে অর্থ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরিফ একসময় কক্সবাজার পৌরসভায় পিয়ন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি পৌরসভার নাম এবং প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, টমটম লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন সনদ, চেয়ারম্যান সনদসহ বিভিন্ন সরকারি কাগজপত্র দ্রুত করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অনেকেই দ্রুত কাজের আশায় তার কাছে টাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এই ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন—একজন পিয়ন কীভাবে প্রকাশ্যে এই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন? তার পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই ও অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে কক্সবাজার পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সঠিক সংবাদ সংগ্রহ করা হয়।
Md. Riadul Islam (Afzal)