ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫,১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে ইতিমধ্যে মশাল মিছিল এবং বিক্ষোভ শুরু করেছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
বাগেরহাটে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনার চেয়ে সমালোচনাই এখন তুঙ্গে। নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত ১৭ বছর যারা জেল-জুলুম সহ্য করে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের বাদ দিয়ে উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বিতর্কিত দুই প্রার্থী:
১. বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী): এই আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। তিনি অতীতে চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব।
২. বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ): এই আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সোমনাথ দে। তিনি মোরেলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি জাতীয় পার্টিতেও যুক্ত ছিলেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চে দেশবিরোধী চক্রান্তের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর কারামুক্ত হয়ে গত ২০ আগস্ট তারা বিএনপি মহাসচিবের হাতে ফুল দিয়ে দলে যোগ দেন।
বিএনপি কর্মী জিল্লুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত ১৭ বছর যারা দলের জন্য জীবনবাজি রাখল, তাদের বাদ দিয়ে অতিথি পাখিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। এটা আমরা মানব না। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম বলেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বাইরে আমাদের কিছু করার নেই, তবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
এদিকে, মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে বাগেরহাট-২ এবং ৪ আসনে বিক্ষোভ চলছে। রবিবার রাতে বাগেরহাট শহরে মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থী এম এ সালামের সমর্থকরা মশাল মিছিল করে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সমালোচনার জবাবে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল দাবি করেন, তিনি কখনো সক্রিয় রাজনীতি করেননি, পুরনো ছবি দিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অন্যদিকে সোমনাথ দে বলেন, আমি অতীতে অন্য দল করেছি, জেলও খেটেছি। সব জেনেই দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমার মনোনয়নে চাঁদাবাজরা আতঙ্কিত।
সঠিক সংবাদ সংগ্রহ করা হয় ।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain