অক্টোবর ২৪, ২০২৫,৪:১৮ পূর্বাহ্ণ
নড়াইল সদর উপজেলায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার অভিযুক্ত শিক্ষক মো. তরিকুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে থানায় ধর্ষণচেষ্টা মামলা দায়ের করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ শে অক্টোবর) সকালে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম ২০১১ ইং সালের ৬ই সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার কালুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। চলতি বছরের আগস্টে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেন। তার বাড়ি নড়াইল সদরের বোড়ামারা গ্রামে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চলতি মাসের ১৫ তারিখ বিকেলে বিদ্যালয় শেষে চার শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াচ্ছিলেন শিক্ষক তরিকুল ইসলাম। এক পর্যায়ে কৌশলে দুজন শিক্ষার্থীকে বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি একা থাকা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চিৎকার করলে অন্য সহপাঠীরা ছুটে এসে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। শিক্ষার্থীরা ঘটনার সাক্ষী হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক তাদের কাউকে কিছু না বলার অনুরোধ করেন।
প্রথমে ঘটনাটি চেপে গেলেও তিনদিন পর পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বিষয়টি জানেন। পরে ২১ শে অক্টোবর রাতে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. তরিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, “দীর্ঘদিন ধরে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
এই দিকে ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতীকী আন্দোলনে অংশ নেয়। বই-খাতা ফেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করে। অভিভাবক এবং স্থানীয়রাও এই সময় তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
ঘটনার পরদিন থেকেই শিক্ষক তরিকুল ইসলাম ৭ দিনের ছুটি নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সঠিক সংবাদ সংগ্রহ করা হয় ।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain