নভেম্বর ১৫, ২০১৬,৯:১৬ অপরাহ্ণ
বিডি নিউজ টিভি ২৪ ডট কম: খুলনা: খুলনা মহানগরীর প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশনের (পিটিআই) সুপার এবং কম্পিউটার সায়েন্স ইন্সট্রাকটরের বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ২০১৬-১৭ শিক্ষা বর্ষের প্রশিক্ষণার্থীরা।
অভিযোগের তদন্ত করতে এসে তদন্ত কর্মকর্তাও অনিয়ম করেছেন বলে মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুপার আব্দুস সালাম শিকদার ও কম্পিউটার সায়েন্স ইন্সট্রাকটর প্রভাষ কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবরে অভিযোগ করেন খুলনা পিটিআইয়ের শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে আসেন ডিডি (প্রাইমারি) খুলনা কেএম গোলাম মোস্তফা।
অভিযোগে বলা হয়, ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ১৫ আগস্ট কেএম গোলাম মোস্তফা তদন্তে আসেন। এদিন জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানের পরিবর্তে তিনি তদন্তের কাজে সহযোগিতা করার জন্য শিক্ষার্থীদের চাপ দেন। দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ লিখে দেবার জন্য সবার হাতে একটি প্রশ্নপত্র ধরিয়ে দেন তিনি।
তবে জাতীয় শোক দিবসের দিনে একাজ না করতে শিক্ষার্থীরা অনুরোধ জানালে কেএম গোলাম মোস্তফা বলেন শোক দিবসের চেয়ে এটা গুরুত্বপূর্ণ। সবাই শোক দিবস বাদ দিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। উত্তর না দিলে সবার মার্ক কমিয়ে দেয়ার হুমকিও দেন তিনি।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ এপ্রিল দুটি আম পাড়ার কারণে দুজন মহিলা প্রশিক্ষণার্থীকে পিটিআইয়ের সুপার, সহ-সুপার, সুপারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে লাঞ্ছিত করে।
কম্পিউটার সায়েন্স ইন্সট্রাক্টর তার স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের নম্বর কম দেয়ার ভয়-ভীতি দেখিয়ে সার্ভিস বুকে লাল দাগ দেয়ার ভয় দেখাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া সত্ত্বেও তিনি ও সহ-সুপার কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাকে দিয়ে ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছেন।
কারণ কম্পিউটার সায়েন্স ইন্সট্রাক্টর, সুপার ও সহ-সুপার সরকারি বরাদ্দের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে চলেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগে আরো বলা হয়, বিভাগীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য পিটিআইতে সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও প্রতিযোগী প্রশিক্ষণার্থীদের জোরপূর্বক অন্যায়ভাবে চাঁদা দিতে বাধ্য করেন।
সহকারী সুপার আইডি কার্ড তৈরির নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সামাজিক কাজের নাম করে সুপারের টয়লেট পরিষ্কার, অফিস রুমের পাপোস পরিষ্কার, ডাস্টবিনের পাতা ও ময়লা পরিষ্কার, মাঠের ঘাস কাটা, কোদাল দিয়ে মাটি কাটার কাজ করানো হয়। এসব অনিয়ম দুর্নীতি ছাড়াও আরো অসংখ্য অভিযোগের কথা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain