অক্টোবর ৫, ২০১৭,১:৩৪ অপরাহ্ণ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সম্প্রসারণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকৌশলী যোগসাজস করে এ অনিয়ম ও দুর্নীতি করার বিষয়টি জানাজানি হলে ঠিকাদার অতিরিক্ত কাজ হিসাবে ভবনের সামনে গ্রীল করে দেবার অঙ্গীকার করে বলে জানাগেছে। উপজেলা পরিষদের নাকের ডগায় এরকম দুর্নীতি ও অনিয়ম হওয়ায় স্থানীয়রা বিস্মিত হয়ে পড়েছে।
জানাযায়, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ কাজ পিইডিপি-৩ এর আওতায় ২৯ লক্ষ ৮২ হাজার ১২৪ টাকা ব্যয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দোতালা করনের জন্য উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় থেকে টেন্ডার আহবান করলে স্থানীয় ঠিকাদার জে এস এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী মোজাম্মেল হক জুয়েল কাজটি পান। এরপর উপজেলা প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে যোগসাজস করে নিন্মমানের ইট, বালি ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করেছে।
সিডিউলে ভবনের ছাদের পুরত্ব ৫ ইঞ্চি করার কথা থাকলেও তা কোথাও ৩ বা সাড়ে ৩ ইঞ্চি করা হয়েছে। এবং নিন্ম গ্রেডের রড ব্যবহার করা হয়েছে। তাছাড়া দরজা জালানায় খুবই নিম্ন মানের শীট ও বার ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অভিযোগ করা হলে উপজেলা প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান প্রথমে নিম্ন মানের কাজের কথা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে সামনে গ্রীল দিয়ে বিষয়টি মেকআপ করার কথা জানান বলে অভিযোগে জানাগেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তবে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ঠিকাদার জানান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী হবার পরও জিল্লুর রহমান দীর্ঘ ৭ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকৌশলী হিসাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কিছু ঠিকাদারের সাথে যোগসাজস করে নানা ধরণের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
খোদ উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে এরকম দুর্নীতি হওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন। বিষযটি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
Md. Riadul Islam (Afzal) Site Developed By: Md. Shohag Hossain