পটুয়াখালীর দুমকীতে ৪০( চল্লিশ) দিনের কর্মসূচি প্রকল্পে খাল সংস্কারের কাজে শ্রমিকের পরিবর্তে এস্কেভেটর (স্থানীয়ভাবে ভ্যেকু নামে পরিচিত) মেশিন ব্যবহারের ফলে খালের দু’পাড়ের শত শত গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং জনপ্রতিনিধিদের যোগসাজশেই এসব অনিয়ম হচ্ছে এমন দাবি স্থানীয়দের।
জানা যায়, ২০২৩-২০২৪ ইং অর্থবছরে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে, বয়ে চলা বাওড়ের খালটি সংস্কারে ৪০ ( চল্লিশ) দিনের কর্মসূচিতে ৪৮ জন হতদরিদ্র শ্রমিককে মজুরি দিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা শুভঙ্করের ফাঁকি। ৪০ দিনের ওই প্রকল্পের কাজ তদারকির অভাবে সরকারি বরাদ্ধের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পার পেয়ে যাচ্ছেন প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িতরা। শ্রমিক দিয়ে মাটি কেটে এসব প্রকল্পের কাজ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, ভ্যেকু দিয়ে সস্তায় মাটি কেটে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করছেন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য শাহনাজ পারভীন।
ভ্যেকু দিয়ে মাটি কেটে খাল সংস্কার ও শত-শত গাছপালা উপড়ে ফেলার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্পের সভাপতি এবং ইউপি সদস্য শাহনাজ পারভীন বলেন, স্থানীয়দের বাঁধার প্রেক্ষিতে এখন আর ভ্যেকু দিয়ে কাজ করানো হয় না। স্থানীয় লোকজনের যার যার অংশ (খালের) তারা খনন করে দিবে এবং আমি তাদের টাকা দিয়ে দেবো।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা বলেন, আমার জানা মতে ওই প্রকল্পে কোন অনিয়ম হচ্ছে না। তবুও কোন অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এই দিকে বক্তব্যের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী’র মুঠোফোনে বারবার কল করেও কোন সারা পাওয়া যায় নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ বলেন, শ্রমিকের কাজ ভ্যেকু দিয়ে করার সুযোগ নেই। আমি খোঁজ নিচ্ছি অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Md. Riadul Islam (Afzal)