আজ বুধবার,৩রা মার্চ, ২০২১ ইং, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রজব, ১৪৪২ হিজরী
>> বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসি রকেট লঞ্চার উদ্ধার >> রাজশাহীর মোহনপুরে কুব্বাস কে কুপিয়ে হত্যা মামলায় আসামী ১৬ >> আসন্ন ৮নং ওয়ার্ড ইউপি নির্বাচনে মোঃ জলিল উদ্দিন হাওলাদার (জলিল শাহ)কে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় এলাকার জনগণ, >> ষড়যন্ত্র করে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। এমন ষড়যন্ত্র যা আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছেঃ সামিয়া রহমান এর কথা >> ডিজিটাল দেশে সঠিক ভাবে চলতে গিয়ে কষ্ট পেতে হলো,মানবিক পুলিশ ইউনিটের শওকতকে তাকে বদলি করা হয়েছে, >> মানুষকে ভালোবাসুন >> শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে থেকে কীভাবে খোলা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। >> চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের উদ্যোগে শহিদ মিনারে পুষ্প অর্পন করেন – চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা ও সদস্য বৃন্দ। >> ২১শে ফেব্রুয়ারি >> সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর স্বাক্ষরিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন- এম,এ রহিম,     

সাংবাদিকদের জন্য চাই কার্যকর প্রেস কাউন্সিল

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১,৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ

 
Spread the love

সাংবাদিকদের জন্য চাই কার্যকর প্রেস কাউন্সিল

মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহিদ)

১৯৭৪ সালের গত ১৪ ফেব্রুয়ারির এই দিনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল গঠন করেছিলেন। একই সময়ে আইনজীবিদের জন্য বার কাউন্সিল গঠন করলে সেটি আজ যথাযথ কার্যকর। কিন্তু সেই প্রেস কাউন্সিলটি আজ প্রায় ৪ যুগেও কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানটি কার্যকরের দাবি সকল সাংবাদিকের।

নানা অসঙ্গতি, অনিয়ম-দূণর্ণীতি আর মুষ্টিমেয় সাংবাদিকের দলাদলিতে প্রেস কাউন্সিলটি বুড়ো ঘোড়ায় পরিনত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি যেন সাংবাদিকদের কোন কাজেই আসছেনা।

আজ প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, তথ্যের অবাধ প্রবেশাধিকার এবং জনগনের ক্ষমতায়ন পারস্পারিক সম্পর্কযুক্ত। গণতন্ত্রের বিকাশসহ প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংবাদপত্রের ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে সুসংহত করার পাশাপাশি মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখতে পারে। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা,সাম্য, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাসহ ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিনত করতে সরকার নানা উদ্যোগ ও কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। এসব কর্মসূচীর সুষ্ঠু বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতা খুবই জরুরী বলে আমি মনে করি। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও মতামত পরিবেশনের মাধ্যমে সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমসমুহ এগিয়ে আসবে বলে আমি মনে করি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে সংবাদপত্র ও অন্যান্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশের গণমাধ্যমের বিকাশে ও উন্নয়নে বর্তমান সরকার অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং এই পেশাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিপূর্ণ করতে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলটির একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। ১৭ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে মফস্বল পর্যায়ে কাজ করা কোন জাতীয় সংগঠনকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়না। খেয়াল খুশিমত চলছে এই কমিটি। তবে নতুন মেয়াদে চেয়ারম্যান নিয়োগের পর গতি বেড়ে উঠুক এমনটা প্রত্যাশা সকলের।

তবে আশ্চর্য্যের বিষয় হচ্ছে যে, প্রতিষ্ঠানটি সারাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের একটি তালিকা প্রণয়নের কাজ ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু করে আজও সম্পন্ন করতে পারেনি। উল্টোপথে হেটে তালিকা প্রণয়নের কাজ আগামি একযুগেও সম্পন্ন করতে পারবে বলেও মনে হচ্ছেনা।

২০১৩ সাল থেকে সারাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের জন্য বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়। এই দাবির প্রেক্ষিতে সারাদেশের সাংবাদিকরা বিএমএসএফের ব্যানারে অগনিতবার স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে। এ কারনে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের বিষয়টি সরকারের সামনে চলে আসে। সরকারের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে প্রেস কাউন্সিল তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করে। ভুল প্রক্রিয়াগত পথে তালিকা প্রণয়নের কাজে সরকারের অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ফলে আশানুরুপ কোন অগ্রগতি মেলেনি।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রস্তাব: বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল যদি জেলা তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে তালিকাটি সম্পন্ন করতে চান তবে তা একমাসের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব। তবে তা কীভাবে? প্রেস কাউন্সিল থেকে একযোগে পাঠানো চিঠি অনুযায়ী জেলা তথ্য অফিসার একযোগে জেলার উপজেলাসমুহে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের মাধ্যমে জানিয়ে দিবেন, আগামি ১৫ দিনের মধ্যে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে। তালিকাভুক্তিকরনে আগ্রহী সাংবাদিকের ছবি, নিয়োগপত্র, আইডি কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসমুহের ছায়ালিপিসহ নিজনামে সদ্য প্রকাশিত তিনটি সংবাদের অনুলিপিসহ (সত্যায়িত) জমাদানের জন্য আহবান করবেন। নির্দিষ্টকালের মধ্যে জমাকৃত আবেদনসমুহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকসহ তথ্য অধিদপ্তরে স্থানীয় কমিটির সুপারিশক্রমে প্রেস কাউন্সিলে পাঠাবেন। একযোগে ৬৪জেলার সাংবাদিকদের তালিকা তখন প্রেস কাউন্সিলের হাতে পৌঁছলেই ডাটা এন্ট্রি করে একটি আইডি নাম্বার পেয়ে যাবেন দেশের পেশাদার সাংবাদিকেরা। যা এখন সাংবাদিকদের প্রাণের দাবি।

অচিরেই কার্যকর হয়ে গড়ে উঠুক সাংবাদিকদের আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা রইলো। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রেস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি।

লেখক: আহমেদ আবু জাফর, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম- বিএমএসএফ, কেন্দ্রীয় কমিটি, যোগাযোগ ০১৭১২৩০৬৫০১,

 

 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain