আজ মঙ্গলবার,১০ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৩রা রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী
>> রাজাপুর থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ মো:জাহিদ হোসেন রাজাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা >> বিএনপির কাছে দুই আসন দাবি লেবার পার্টির …… >> রাজাপুরে জনসচেতনতা মূলক কমিউনিটি পুলিশিং মতবিনিময় সভা >> শোকরানা মাহফিলের মোড়কে ৫ মে’র হত্যাকাণ্ড অস্বীকারের আয়োজন: বাবুনগরী >> ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য নোয়াখালীবাসীর প্রশংসনীয়  উদ্যোগ >> পদ্মার সেতুর অগ্রগতি দেখে এলেন প্রধানমন্ত্রী >> ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ২ শিক্ষার্থী রিমান্ডে >> অক্টোবরে বিএনপির আগে মাঠ দখল করবে ১৪ দল: নাসিম >> গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তির ঐক্য চাই: বি চৌধুরী >> আগামীকাল বরিশালে অাসছেন ওয়াইসিডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান     

ঐতিহাসিক বদর দিবসঃ মুসলমানদের ঈমানী চেতনার প্রতীক

জুন ৪, ২০১৮,৫:৩০ পূর্বাহ্ণ

 
Spread the love

মুহাম্মদ খালেদ সাইফুল্লাহ:আজ ১৭ রমজান। আজ থেকে প্রায় ৮১৫ বছর আগের ঠিক এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল ইসলামের ইতিহাসের এক ঐতিহাসিক যুদ্ধ, যার নাম বদরের যুদ্ধ। পবিত্র আল-কুরআনে এ মহান যুদ্ধকে অভিহিত করা হয়েছে ফয়সালাকারী দিন হিসেবে। এ যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় অনেক কম হওয়া সত্তেও মক্কার কাফির তথা কুফরী শক্তিকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়। যার মাধ্যমে সত্য-মিথ্যার প্রভেদ ঘটে। এ কারণে বদরের যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীও বলা হয়।বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় মদীনায় হিজরতের মাত্র ১ বছর ৬ মাস ২৭ দিন পরে। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে কুরায়েশরা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে মদীনা থেকে বের করে দেবার জন্য নানাবিধ অপচেষ্টা চালায়। অবশ্য কুরাইশ কাফিরদের বাণিজ্য কাফিলাকে বাধা দেয়ার লক্ষ্যে ও তাদের সম্পদ আটকের জন্যই একদল মুসলিম মুজাহিদ বিশ্বনবী (সা.) এর নেতৃত্বে মদীনা থেকে বেরিয়ে আসেন। কাফিররা মক্কায় মুসলমানদের অনেক সম্পদ আটক করে রেখেছিল। তাই এ ধরনের হামলার অধিকার মুসলমানদের ছিল। তবে বড় ধরনের কোনো যুদ্ধ হবে বলে মুসলমানদের কেউই ভাবেননি এবং সে জন্য প্রস্তুতিও ছিল না। কিন্তু কুরাইশ কাফিরদের শীর্ষস্থানীয় নেতা আবু সুফিয়ান তার বাণিজ্য কাফিলার ওপর মুসলমানদের হামলার প্রস্তুতির খবর জানতে পেরে সেই খবর মক্কার কাফিরদের জানালে অনেক কাফির নেতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। ফলে তারা একটি সুসংগঠিত যুদ্ধের আয়োজন করে এবং মুসলমানরাও মহানবীর (সা.) নেতৃত্বে কাফিরদের মোকাবেলা করতে বাধ্য হন।এ যুদ্ধে মুসলিম মুজাহিদদের সংখ্যা মাত্র ৩১৩ জন হওয়া সত্ত্বেও তারা মক্কার সুসজ্জিত প্রায় এক হাজার কাফিরের ওপর বিজয়ী হয়েছিলেন। মহান আল্লাহর অদৃশ্য সাহায্য থাকাতেই তা সম্ভব হয়েছে। এ যুদ্ধে কাফির বাহিনীর ৭০ জন মুজাহিদদের হাতে নিহত এবং তাদের ৭০ জন মুসলিম বাহিনীর হাতে বন্দী হয়। অন্যদিকে মুসলিম বাহিনীর ১৪ জন শাহাদত বরণ করেন। মুসলমানদের পক্ষে এই যুদ্ধের প্রধান বীর ছিলেন আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আ.)। তিনি একাই ৩৬ জন কাফিরকে হত্যা করেছিলেন যাদের মধ্যে অনেকেই ছিল নেতৃস্থানীয় কাফির সর্দার ও তৎকালীন আরব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় খ্যাতিমান যোদ্ধা ।আল্লাহ তায়ালা বদর যুদ্ধ সম্পর্কে কুরআনমজিদ এ ইরশাদ করেনঃ وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ الله।ُ بِبَدْرٍ وَأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوْا اللهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ-‘ নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেছেন বদরের যুদ্ধে। অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল। অতএব আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হ’তে পার’ (আলে ইমরান ৩/১২৩)।এ যুদ্ধে মুসলমানদের মধ্যে ১৪ জন মুজাহিদ শাহাদাত বরণ করেন। এবং কাফিরদের প্রধান আবু জাহেল সহ ৭০ জন কাফের নিহত হন। ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাসের বদরের যুদ্ধের তাৎপর্য ও বিজয় অবিস্মরণীয়। কারণ বদরের যুদ্ধের জয়লাভের ফলে একটি পরিপূর্ণ রাষ্ট্রের পরবর্তীতে রূপ চলে আসে। ইসলাম সত্য, মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সত্য বাণী নিয়ে পৃথিবীতে তাশরিফ এনেছেন তার বাস্তবতা ফুটে উঠে। সর্বোপরী মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস তৈরী হয়। মহানবী (সাঃ) বলেন, এ যুদ্ধ সত্য মিথ্যার পার্থক্য তৈরি করে দেয়। যুদ্ধ অস্ত্র, সৈনিক ও বাহু বলের দ্বারাই শুধু জয়লাভ সম্ভব নয় আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল, আত্মবিশ্বাস, ঐক্যতা ও সঠিক নেতৃত্ব এবং যুদ্ধাস্ত্র দ্বারাই বিজয় সম্ভব।বদর দিবসে করণীয়বদর দিবসে করণীয় হলো বদরী সাহাবীদের জন্য আমাদের কল্যানার্থে দোয়া কামনা করা। তাদের উছিলা দিয়ে আল্লাহ্র কাছে দোয়া করা এবং বদরী সকল সাহাবীর প্রতি মহাব্বত ও ঈমানী ভালোবাসা রাখা। আল্লাহ্ পাক আমাদেরকে বদর দিবসের মর্যাদা রক্ষা করার তাওফীক দান করুন এবং তামাম বিশ্ব মুসলমানদের উপর বদর দিবসের চেতনা আবার ফিরে আসুন। গর্জে উঠুক সেই হুঙ্কার, ঈমানী শ্লোগান, ভেঁসে উঠুক আকাশে বাতাসে ইসলামের জয়গান আর কালিমার পতাকা।2 hours ago ·

 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain