আজ শুক্রবার,২৫শে মে, ২০১৮ ইং, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১০ই রমযান, ১৪৩৯ হিজরী
>> বিদেশি কর্মীদের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর কয়েকশ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। শুধু ভারতেই যাচ্ছে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, দক্ষ জনশক্তির অভাবেই বাংলাদেশ কোটি কোটি ডলার হারাচ্ছে। খবর বিবিসি বাংলার। বাংলাদেশ অ্যামপ্লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যবসায়ী নেতা ফজলুল হক বলছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি, গার্মেন্টস, ওষুধ কোম্পানি কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কাজ করছেন অনেক বিদেশি নাগরিক। এই ব্যবসায়ী জানান, এসব কর্মীর মধ্যে শীর্ষে আছে ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা। এর পরে পাকিস্তান, ফিলিপিন, কোরিয়া ও চীন থেকে আসা কর্মীরা। এই তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘দেশে মিড লেভেল ও টপ লেভেলের প্রফেশনালদের বড়ধরনের ঘাটতি রয়েছে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষিত হয়ে আসা কর্মীরা চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে বাধ্য হয়ে বিদেশ থেকে এসব কর্মী আমদানি করতে হচ্ছে।’ গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডি বলছে, তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ২৪ শতাংশ তৈরি পোশাক কারখানাতে বিদেশি কর্মীরা কর্মরত আছেন। দুই বছর আগে সিপিডির আরেক গবেষণার তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে যে রেমিট্যান্স যায় তার মধ্যে শুধু ভারতেই যায় ৫০০ কোটি ডলারের মতো, জানান সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি জানান, দক্ষতার ঘাটতির কারণেই বিদেশি কর্মীদের হাতে চলে যাচ্ছে দেশের অর্থ। কিন্তু বর্তমানে দেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর ডিগ্রি নিয়ে বের হচ্ছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। কিন্তু তারপরও কেন বাইরের দেশের কর্মীদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে? এ প্রশ্নে ব্যবসায়ী ফজলুল হক বলেন, পেশাগত দক্ষতার অভাবের পাশাপাশি ভাষা-গত দক্ষতারও অভাব রয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা এবং পেশাগত কৌশলের ঘাটতি রয়েছে। ‘কারিগরি শিক্ষার অভাবটাই প্রকট। আমাদের এখানে ইউনিভার্সিটিগুলোতে যে ডিগ্রি দেয়া হচ্ছে সেগুলো বেশিরভাগই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে ফোকাস করে দেয়া হচ্ছে না। তাদের ফোকাসটা অন্য জায়গায়। ফলে যেরকম গ্রাজুয়েট দরকার সেরকম আমরা পাচ্ছি না।’ একদিকে দেশের ভেতরে বেকার এবং শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা যেখানে প্রকট সেখানে দেশ থেকে প্রবাসী অর্থ চলে যাওয়ার বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থে দেশ সচল করার কথা বলা হচ্ছে একদিকে কিন্তু অন্যদিকে বিদেশি কর্মীদের হাত দিয়ে দেশ থেকে চলে যাচ্ছে বহু কোটি ডলার। তার মতে, ‘দেশের ভেতরে যারা গ্র্যাজুয়েট হচ্ছেন, তারাও উপযুক্ত মানসম্পন্ন নন। তাদের দক্ষতার অভাব রয়েছে।’ ‘আপনি আশ্চর্য হবেন যে, এক-তৃতীয়াংশ বেকার দেখতে পাচ্ছি যারা গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছেন, অন্যদিকে দেশের ভেতরেই বিদেশিরা কাজ করছেন এবং দেশ থেকে অর্থ নিয়ে যাচ্ছেন। একদিকে অ্যামপ্লয়াররা প্রফেশনাল লোক খুঁজছেন, দেশের ভেতরে পাচ্ছে না। অন্যদিকে বিদেশি প্রফেশনালরা আমাদের এখানে কাজ করছেন, আমাদের জায়গাগুলো তাদের দিয়ে দিতে হচ্ছে, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।’ গবেষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, তৈরি পোশাকে যে উন্নতি হয়েছে তার বড় অংশই এসেছে দক্ষ শ্রমিকদের হাত ধরে। সেখানে ম্যানেজমেন্ট লেভেলে দক্ষতার ঘাটতির বিষয়টি থেকে গেছে উপেক্ষিত। bdnewstv24.com / riadul islam afzal >> ‘খুলনার মতো জাতীয় নির্বাচন হলে দেশে বিপর্যয় নেমে আসবে’ >> স্বাধীনতার জন্য হুইল চেয়ারে বসে লড়াই করে শহীদ হলেন ফিলিস্তিনি যোদ্ধা ফাদিমে >> পবিত্র মাহে রমজানের সওগাত >> দুই সিটি নির্বাচন: বিরোধী জোটের চার উপকমিটি >> চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব আয়োজিত মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা >> চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের মানববন্ধনে বক্তারা- সাংবাদিক সুমন হাসানের উপর নির্যাতনকারী অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় না আনলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি >> অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের দাবিতে আবেদনপত্র পেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে অনলাইন গণমাধ্যমের বিকল্প নেই -হাসানুল হক ইনু >> চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভা অনু্ষ্ঠিত >> রাষ্ট্রপতির বক্তব্য সমর্থন করলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি     

খালি মাঠে গোল দেয়ার খায়েশ পূরণ হবে না : খালেদা জিয়া

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৮,১১:০৩ অপরাহ্ণ

 
Spread the love

বিডি নিউজ টিভি ২৪ ডট কম: মোঃসোহাগ হােসন:ঢাকা : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জনগণের উদ্দেশে বলেছেন, আপনাদের খালেদা জিয়া কোনো অন্যায় করেনি। কোনো দুর্নীতি আমি করিনি। ন্যায়বিচার হলে বেকসুর খালাস পাব। আর যদি শাসক মহলকে তুষ্ট করার জন্য অন্য কোনো রায় হয়, তাহলে তা কলঙ্কের প্রতীক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন ন্যায় বিচার নেই। আমি যেখানেই থাকি যেমন থাকি দেশবাসীকে কখনও ছেড়ে যাব না। আল্লাহই আমার একমাত্র ভরসা। আমি যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। জেল বা সাজার ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। আমি মাথা নত করব না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি থেকে পিছু হটব না। আমাকে জেলে পাঠালেও সরকারের খালি মাঠে গোল দেয়ার খায়েশ পূরণ হবে না।

বুধবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। বিকেল ৫টার দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আপনারা জানেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় রায় হবে। এ রায়কে কেন্দ্র করে শাসক মহল আমাদের চেয়ে বেশি অস্থির। ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিবাদে ভীত হয়ে এ হীন পথ বেছে নিয়েছে এ অবৈধ সরকার। সারা দেশে তারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তিনি বলেন, ‘আদালত রায় দেয়ার বহু আগে থেকেই শাসক মহল চিৎকার করে বেড়াচ্ছে আমার জেল হবে। যেন বিচারক নয়, ক্ষমতাসীনরাই রায় ঠিক করে দিয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন প্রমুখ।

 

Chairman

Md. Riadul Islam (Afzal)
Chairman
www.bdnewstv24.com
 

সর্বশেষ সংবাদ

 

সারাবাংলা

 

 

Site Developed By: Md. Shohag Hossain